দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আল মুহতাছিম সাইব (১৭) হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় লোকজন।
মঙ্গলবার (৯জুন) রাত আটটার দিকে জানাজা শেষে শ্রীবরদী-শেরপুর সড়ক অবরোধ করে এ আল্টিমেটাম দেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আল্টিমেটাম শেষে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন।
এর আগে, সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাইব শেরপুর পৌর এলাকার দমদমা কালিগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা। সাইবের বাবা আব্দুল মালেক শ্রীবরদীতে একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন এবং নিহত সাইব শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৯ মে বিকেল ৪টার দিকে শেরপুরের তাতালপুর বিএম রোড এলাকায় গাছের ছায়ার নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইব। এ সময় নাঈম মিয়া (১৯), পাপ্পু (২০) স্বপন (২১) ও আরমান (২০) একই স্থানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবে বলে সাইবকে সরে যেতে বলে। সাইব সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে কথা-কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করে।
একপর্যায়ে মোবাইল ফোনে আরও ১০-১৫ জনকে ডেকে এনে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাইফকে মারধর ও রাস্তার পাশে জমে থাকা ফসলি জমির পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় সাইব চিৎকার করলে লোকজন ছুটে আসে। তখন হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে সাইবকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েকদিন লাইফসাপোর্টে থাকার পর সোমবার দুপুরে মারা যায়।
এদিকে মারধরের ঘটনায় ৬ জুন ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন সাইফের মা রেবেকা সুলতানা।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘শিক্ষার্থী সাইব হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব। এতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাই।’
/অ